script type='text/javascript'> var w2bWidth="100"; var w2bScrollAmount="10"; var w2bScrollDelay="50"; var w2bDirection="left"; var w2btargetlink="yes"; var w2bnumPosts="10"; var w2bBulletchar =">>>"; var w2bimagebullet="yes"; var w2bimgurl="http://www.dan-dare.org/Dan%20FRD/JerryAni.gif"; var w2bfontsize="16"; var w2bbgcolor="000000"; var w2blinkcolor="FFFFFF"; var w2blinkhovercolor="3366CC";

হট ভয়েস

নারী জাতি মায়ের জাতি

নারী জাতি মায়ের জাতি ,
সম্মান করো দিবা - রাতি ।

ধরণীর শ্রেষ্ট্র জাতি ,
সে তো মোদের মায়ের জাতি ।।
 
সবাইকে বিশ্ব নারী দিবসের শুভেচ্ছা

মেডিসিনের গুরু- স্যার ডেভিডসনের সংক্ষিপ্ত জীবনী

মেডিসিনের গুরু- যা দিয়ে শুরু ।
" ডেভিডসন'স প্রিন্সিপ্যাল এন্ড প্র্যাকটিস অব মেডিসিন "
বইয়ের নাম শুনেন নি, এমন শিক্ষিত লোক পাওয়া মুশকিল !
আজ ,সেই বইয়ের লেখক স্যার ডেভিডসনের ১২১ তম জন্মবার্ষিকী ।
১৮৯৪ সালের এই দিনে শ্রীলংকায় জন্মেছিলেন,
মানবতার মহান সেবক ।

স্যার, ডেভিডসন মেডিকেলের ছাত্রদের জন্য ,
সিস্টেমিক লেকচার নোট দিতেন,
সেগুলোকে সাজিয়েই প্রকাশ করা হয়েছিলো -
'Davidsons Priciples and Practice Of Medicine "
মেডিকেলীয় অমর বইটি ।

উনার বিখ্যাত ডেভিডসন বইটির ১ম প্রকাশের সাথে,
বাংলা ভাষাভাষীদের ইতিহাসও জড়িয়ে আছে ।
সেই ঐতিহাসিক ১৯৫২ ।
যে বছরে শহীদ হন, অগনিত ভাষা সৈনিক - সালাম-জব্বার ।

স্যার ডেভিডসনের সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরলাম নীচে ...
পুরো নাম -Sir Leybourne Stanley Patrick Davidson-
ডিগ্রী- BA, MD,PRCPE, FRCP

১ম বিশ্বযুদ্ধের শারীরিক আঘাত উনার  মেডিকেলীয় জীবনের ব্যাঘাত ঘটালেও,
১৯১৯ সালে ঠিকই এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে গ্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন ।
১৯৩০ সালে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে মেডিসিনের ইতিহাসে ১ম প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন ।
দীর্ঘ ২১ বছর  এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিনের প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ।

বিখ্যাত চিকিতসক জন জর্জ মেকলয়েড ও
প্রফেসর রোনাল্ড  এর শিক্ষক ছিলেন স্যার ডেভিডসন । 

বাংলাদেশের ইতিহাসে উনসত্তরের গন অভ্যুথানের কথা মনে আছে কি ?
সে বছরেই স্যারের আরেকটি বিখ্যাত বই
"Human nutrition and dietetics'প্রকাশিত হয় ।

মেডিসিনের গুরু - যার হাত দিয়ে শুরু ,
সেই মহান চিকিতসক- লেখক ,
 স্যার ডেভিডসন
১৯৮১ সালের ২৭ শে সেপ্টেম্বর পরলোক গমন করেন ।


---- লেখা- ডাঃ স্বাধীন

বৈচিত্র্যময় এপ্রন

বৈচিত্র্যময় এপ্রন -- ‬
মেডিকেলে ভর্তির প্রারম্ভে এপ্রনের :P প্রতি খুবই আগ্রহ থাকে,
আর ভর্তি হওয়ার পর,
প্রথম দিকে এপ্রন গায়ে আয়নায় গেলে নিজেকে অর্ধেক  ডাক্তার :D মনে হয়।
মেডিকেলে কিছু দিন অতিবাহিত হওয়ার পর,
এপ্রন পরে আয়নায় গেলে নিজেকে গাধা :P মনে হয়।।
তাই অধিকাংশ ছাত্রের এপ্রন দিনে দিনে কাধে উঠতে থাকে।।
ফোর্থ-ফিফথ ইয়ারে এপ্রন তো নাই হয়ে যায়।।

মেডিকেল ছাত্ররা কত রকমের এপ্রন পরে তার কোনো হিসেব আছে??

উত্তর - না ।।


কোনো এপ্রন হাফ হাতা,
কোনোটা থ্রি কোয়ার্টার,
কোনোটা ফুল হাতা।।
কোনটা হালকা ক্রিম কালার।
কেনোটা ধবধবে সাদা ,
কোনোটা নীলাভ আকাশী সাদা।।
উপরের সবকিছু দিয়ে এপ্রন চিনতে পারলেও,
কোনটা ছাত্রের কিংবা কোনটা ছাত্রীর সেটা বুঝতে পারবেন না।।
সেটা বুঝার জন্য এপ্রনের পিছনে দেখতে হবে,
কোনটা ফিতা ঝুলানো ,
আর কোনটা ফিতা ঝুলানো না ।।

ফিতা ঝুলানোটা ছাত্রীর।।

একবার অন্তরা টেইলার্সে এপ্রন সেলাইতে দিয়েছিলাম,
অন্তরা টেইলার্স মোর অন্তরটা ছ্যাড়াবেড়া করে দিয়েছিলো।।

১ম এপ্রনটা পড়াও হয় নি খুব একটা।।
বাসায় ট্রায়াল দেওয়াটায় শেষ,
যথারীতি এপ্রন পড়ে আয়নার সামনে গেলাম,
ছোট বোন এসে বললো ভাই এটা তো ছেলেদের এপ্রন না।।
মেয়েদের :P এপ্রন।।
মাথা ত নষ্ট হয়ে গেলো।।
পরের দিন মেজাজ চরম অবস্থায় টেইলার্সে গেলাম,
অন্তরা :P টেইলার্স বলে,

সরি ভাই,
ভুলে আরেকজনের এপ্রন আপনার কাছে চলে গেছে।। সরি কিছু মনে করবেন না।।

ঝাক মাথাটা কিছু ঠান্ডা হলো।।

এবার আর ট্রায়াল দিলাম না,
সরাসরি এনাটমি ক্লাসে এপ্রন পরে হাজির।
ফারজানা ম্যাডাম রীতিমত রেগে বললো,
এই ছেলে তুমি কি এপ্রন পরেছ?
নাকি মাসল দেখাতে এসেছো।।
এতো টাইট এপ্রন কেউ পড়ে??
এই এপ্রন যেন আর না দেখি!!!

এরপর থেকে সেই এপ্রন পড়া হয় নি,,
কিন্তু এপ্রনটা এখনো চকচক করছে আলমারীতে, জীবনের প্রথম এপ্রন বলে কথা।।।

ডাক্তার হয়েও ওয়ার্ডে এপ্রন পড়ে রাউন্ড দিতে বড়ড় কষ্ট হয় ,
এপ্রন গায়ে দিলেই - গায়ে জ্বর জ্বর :P  ভাব চলে আসে আমার ।

---- লেখা - ডাঃ স্বাধীন

মানবতার সেবক ডাঃ কামাল উদ্দিন

এক মহৎ সেবকের কথা শেয়ার করছি ।
-আংশিক নয়, পুরোটাই পড়ুন -
যিনি পেশায় একজন চিকিতসক এবং
বাংলার বাঘ- শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজের সাবেক সফল পরিচালক,
 ডাঃ কামাল উদ্দিন ।
তিনি এত বড় একটা পদে ছিলেন -
চাইলে অনেক অর্থ বিত্ত অনেক কিছুর মালিক হতে পারতেন ।
সুবর্ণা ট্রেনে করে ঢাকা যাত্রাপথে উনার ডান পাশেই আমার সীট পড়েছিলো  ।
আলাপ চারিতার এক ফাঁকে ,
যখন বললেন -
আমি যখন পরিচালকের দায়িত্ব থেকে অবসর গ্রহন করি ,
তখন আমার ব্যাংকে ব্যালেন্স ছিলো মাত্র ৪, হাজার ৩ শ টাকা সামথিং ।
শুনেই অবাক !!
অবাক নয় সত্যি !
তিনি নিজের জীবনকে সত্যিই অনেক সৎভাবে পার করছেন ।


তিনি বিখ্যাত ডাঃ গোলাম রসুল  স্যারের কথাও তুলে ধরেছেন ।
অনেকে গোলাম রসুল স্যারের কাছে বলেছেন -
স্যার, আপনার অনেক জুনিয়রেরা হাজার টাকা ভিজিট নেন ,
আর আপনি এত সিনিয়র হয়েও এখনো মাত্র  সেই আমলের ২শ টাকা সম্মানী ভিজিট নেন ।

ডাঃ গোলাম রসুল স্যার তাদের জবাবে  বলেছিলেন -
আমাদের দেশের পরিপেক্ষিতে এটাই যথেষ্ট !!
আমি এতেই সন্তুষ্ট ।


আলাপ চারিতায় তিনি আরো বলেন ,
আমাদের ছেলে- মেয়েদের রচনা লিখতে দিলে ,
কেউ লিখে ডাক্তার হবে, কেউবা ইঞ্জিনিয়ার ! কেউবা পাইলট !!

কিন্তু কেউ  লিখে  না - আমি একজন মানুষ হবো ।

আমাদের দেশে ডাক্তার , ইঞ্জিনিয়ার ও ভালো পেশার লোকের অভাব নেই ।
কিন্তু এখন প্রয়োজন কিছু ভালো মানুষের ।

স্কুলের শিক্ষকরা যদি - তাদের ছাত্রদের এইম ইন লাইফে ,
আমি একজন ভালো মানুষ হবো লিখতে শুরু করে ।
তবেই  জাতি উপকৃত হবে ।

তিনি শেষে আরেকটি স্বরনীয় কথা বলছেন ,
যে পেশায় আছো - সেটা বড় সম্মানী পেশা ।
নিজের কর্মে ব্যস্ত থাকো। মানুষের সেবা করো ,
' টাকার পিছনে ছুটো না ,
টাকায় তোমার পিছনে ছুটবে । '


এক মহান মানব দরদী - মানবতার সেবকের সাথে পরিচিত হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি ।

____লেখা =- ডাঃ স্বাধীন
Designed by MS Design

Powered by Blogger